সাজেকের ২৫টি রিসোর্ট হোটেলের ভাড়া, বুকিং ও মোবাইল নাম্বার

sajek resort
শেয়ার করুন সবার সাথে

Sajek Valley Resort & Hotel Price & Booking 

যতদূর চোখ যায় সবুজের সমারোহ। এই সবুজের মধ্য থেকে মাথাচাড়া দিয়ে উঁকি দিচ্ছে ছোট-বড় অসংখ্য পাহাড়। দিগন্তরেখা অবধি সবুজ আর পাহাড়ের এক বিশাল মেলা বসেছে যেন। এই মেলার নান্দনিকতাকে আরো খানিকটা ফুটিয়ে তুলতে আকাশ থেকে নেমে এসেছে মেঘের ভেলা। সবুজের ফাঁক গলে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ের মাঝে সাদা তুলোর মতো সবর্ত্রই ঝুলে আছে মেঘ। পায়ের নীচে মেঘ, পাহাড় আর এমন বিশাল সবুজের সমুদ্র দেখতে কার না ভালো না লাগবে? আর ভালো লাগে বলেই হয়তো আমাদের দেশের পর্যটনের অপরূপ আর সবচাইতে জনপ্রিয় স্থান সাজেক ভ্যালি বা সাজেক উপত্যকা।

সাজেক মূলত রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন এই সাজেক। যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংকদু, পুর্বে ভারতের মিজোরাম এবং পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত। সাজেক থেকে ভারতের মিজোরাম প্রদেশের সীমান্ত মাত্র ১৫ কিলোমিটার। বাঘাইহাট থেকে ৩৪ কিলোমিটার, দীঘিনালা থেকে ৪৯ কিলোমিটার, খাগড়াছড়ি সদর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই সাজেক উপত্যকা।

রাঙামাটি জেলাতে অবস্থিত হলেও সাজেক যেতে সুবিধা হয় খাগড়াছড়ি থেকে। খাগড়াছড়ির দীঘিনালা আর্মি ক্যাম্প হয়েই সাজেক ঢুকতে হয়। মূলত এই ক্যাম্পে পরিচয় দিয়ে অনুমতি নিয়ে তবেই সাজেকে প্রবেশ করতে হয়। সাজেকে মূলত দুটি গ্রাম বা পাড়া বা বসতি আছে। আর্মি ক্যাম্প পার হলেই প্রথমে পড়ে রুইলুই গ্রাম। যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এরপরই কংলাক পাড়া। এখানে লুসাই, ত্রিপুরা এবং পাংখোয়া জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। রাঙামাটির অনেকটা অংশই সাজেক থেকে দেখা যায় বলে একে রাঙামাটির ছাদ নামেও আখ্যায়িত করা হয়।

সকাল থেকে শুরু করে প্রহর বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলায় সাজেকের রূপ। যা ভ্রমণপিপাসু মানুষদের মুগ্ধ করে বারংবার। আর তাই তো, পর্যটকদের ঢল নামে এই সাজেকের প্রকৃত রূপ স্বচক্ষে অবলোকন করার জন্যে। সারা বছর জুড়েই সাজেকে ভ্রমণকারীদের ভিড় লেগে থাকলেও মূলত বর্ষা, শরৎ এবং হেমন্তকালে মেঘ আর পাহাড়ের লুকোচুরি খেলা দেখতে বেশি পর্যটকদের সমাগম ঘটে। আর তাই পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে সাজেকে গড়ে উঠেছে অসংখ্য রিসোর্ট এবং কটেজ। পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে এসব রিসোর্ট বা কটেজে থাকতে পারবেন নিশ্চিন্তমনে। আর আজকের আয়োজনটা মূলত সাজেকের সকল রিসোর্টের তালিকা  এবং রিসোর্টগুলোর বিস্তারিত বিবরন নিয়েই।

সাজেক রিসোর্ট 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত হয় এই রিসোর্টটি। দোতলা এই রিসোর্টের উপরের তলায় সব মিলিয়ে চারটি কক্ষ। মূলত কাপলরাই এই রিসোর্টে এসে থাকে বেশিরভাগ সময়।



কেননা, জানালা খুললে একদিকে যেমন সাজেকের মনোরম প্রকৃতি উপভোগ করা যায়; ঠিক তেমনি খাবারের সুব্যবস্থা আছে এই রিসোর্টে। এসি আর নন এসি ভেদে এই রিসোর্টে প্রতিটি কক্ষের ভাড়া ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে ডিসকাউন্ট।  যোগাযোগ: ০১৮৫৯০২৫৬৯৪ / ০১৮৪৭০৭০৩৯৫।

রুংরাং রিসোর্ট 

রুংরাং হচ্ছে সাজেকের সেরা রিসোর্টগুলোর মধ্যে অন্যতম। রিসোর্ট থেকেই সাজেকের মেঘের ভেলা আর দিগন্তজোড়া সারি সারি পাহাড় দেখার ক্ষেত্রে রুংরাং রিসোর্টের তুলনা নাই। নান্দনিক কাঠের ইন্টেরিয়রে সজ্জিত এই রিসোর্টে ৬টি ডাবল বেডরুম আর ৪টি কাপল রুম রয়েছে। ডাবল বেড ২৮০০ টাকা এবং কাপল ২০০০ টাকা। তবে ছুটির দিনগুলোতে তা ৩৫০০ এবং ২৮০০ তে রূপান্তরিত হয়।  রুংরাং রিসোর্টে সোলার এবং জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুতের পাশাপাশি পানি এবং নিরাপত্তার সুব্যবস্থা রয়েছে। যোগাযোগ: ০১৮৮৪৭১০৭২৩ / ০১৮৬৯৬৪৯৮১৭/০১৮৮৬৩৬৩২৩২

রুন্ময় রিসোর্ট

নীচতলা আর দোতলা মিলিয়ে মোট পাঁচটি রুম আছে এই রুন্ময় রিসোর্টে। এই রিসোর্টের ভাড়া তুলনামূলক কম হওয়ায় এবং মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায় বলে এর জনপ্রিয়তাও বেশ। নীচতলার রুম ভাড়া প্রায় ৪৪৫০ টাকা। আর উপর তলার রুম ভাড়া প্রায় ৪৯৫০ টাকা। দুজনের জন্য নির্মিত এসব রুমে আপনি বাড়তি ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থাও করে নিতে পারবেন। খাবারের ব্যবস্থার পাশাপাশি বারবিকিউ করারও সুযোগ থাকছে এই রিসোর্টে, তবে তা অগ্রীম জানাতে হবে। যোগাযোগ: ০১৮৬৫৪৭৬৮৮।

মেঘ মাচাং রিসোর্ট 

রুইলুই পাড়ায় অবস্থিত মেঘ মাচাং হচ্ছে আরেকটি জনপ্রিয় রিসোর্ট। কাঠ আর বাঁশের নির্মিত সর্বমোট পাঁচটি কটেজ রয়েছে এই রিসোর্টে। এখানকার প্রতিটা কক্ষেই ৪/৫ জন একসাথে থাকা যায়। সোলার বিদ্যুতের ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে।



ছুটির দিন বাদে বাঁশ নির্মিত কটেজের ভাড়া পড়বে ৩৫০০ টাকা এবং কাঠের নির্মিত কটেজের ভাড়া পড়বে ৪০০০ টাকা। আর ছুটির দিনে ৫০০ টাকা করে বাড়তি গুনতে হবে দুই ধরণের কটেজের ক্ষেত্রেই। মিজোরামমুখী খোলা বারান্দা এই রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ। খাবারের ব্যবস্থাও আছে এখানে। যোগাযোগ: ০১৮২২১৬৮৮৭৭

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

অন্যান্য রিসোর্টের ভিড়ে মেঘপুঞ্জি রিসোর্টের রয়েছে স্বতন্ত্র জনপ্রিয়তা। পরিবেশ বান্ধব নির্মান এবং সাজেকের অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকন উপভোগের জন্য এই রিসোর্টের রয়েছে খ্যাতি। তারাশা, পূর্বাশা, রোদেলা এবং মেঘলা নামের ৪টি কটেজ রয়েছে এই রিসোর্টে। ২৪ ঘণ্টা পানি ও বিদ্যুতের সুবিধা ছাড়াও প্রতি কটেজে ৪ জন থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে। তিনটি কটেজের ভাড়া ৪০০০ টাকা করে। আর অন্য একটি কটেজের ভাড়া ৪৫০০ টাকা। তবে মেঘপুঞ্জিতে রুম ভাড়া নিতে হলে মাসখানেক আগে অগ্রীম বুকিং এবং খাবারের ব্যবস্থা করার কথা বলে নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। যোগাযোগ: ০১৮১৫৭৬১০৬৫/০১৮১৪২৭৫৭৫৫

লুসাই কটেজ 

ফেসবুকের জনপ্রিয় গ্রুপ ট্রাভেল গ্রুপ বিডি কর্তৃক পরিচালিত লুসাই কটেজ সাজেক কটেজের বিপরীত পাশেই অবস্থিত। থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থার পাশাপাশি মনোরম দৃশ্য আর সূর্যোদয় দেখার উপযোগী করে নির্মিত এই কটেজ। কাপল এবং ডাবল বেড রুমের ব্যবস্থা আছে। প্রতি রুমের ভাড়া ২০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত। অবশ্য ছুটির দিনগুলো বাদে লুসাই কটেজে ৫০০ টাকা করে ছাড়ের সুবিধাও থাকে। খাবার, বারবিকিউ এর পাশাপাশি খাগড়াছড়ি থেকে ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থাও রয়েছে এই রিসোর্টে। যোগাযোগ:০১৬৩৪১৯৮০০৫/০১৮৮২০০৯৫০০

মেঘাদ্রি ইকো কটেজ 

৬টি কাপল রুম এবং ২টি ডাবল বেড রুম রয়েছে মেঘাদ্রি ইকো কটেজে। তবে ডাবল বেড রুমগুলোতে লাগোয়া বারান্দা রয়েছে; যা এই কটেজের অনন্য আকর্ষণ। ছুটির দিন বাদে ডাবল বেড রুমের ভাড়া ৩৫০০ টাকা এবং



কাপল রুমের ভাড়া ৩০০০ টাকা। তবে ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের চাহিদার উপর নির্ভর করে ভাড়া বাড়ানো হয়ে থাকে। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ এবং সোলার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। যোগাযোগ: ০১৮৮৩৬৯৭৭২৮

আদ্রিকা ইকো কটেজ 

খোলামেলা পরিবেশে থাকার জন্য আদ্রিকা ইকো কটেজের সুনাম রয়েছে। লুসাই কটেজের পেছনেই এই কটেজের অবস্থান। এখানে কেবল দুটোই বড় রুম রয়েছে। তবে প্রতিটাতেই ঝুলন্ত বারান্দা দেয়া হয়েছে। প্রতি রুমে ৪জন থাকার সুব্যবস্থা। শুক্র, শনি এবং অন্যান্য ছুটির দিনে রুম ভাড়া ৪০০০ টাকা। আর অন্যান্য দিনে ৩৫০০ টাকা। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ থাকলেও থাকছে না খাবারের সুব্যবস্থা। যোগাযোগ: ০১৮৭৭৭২২৮৫৯

লক্ষণ কটেজ সালকা

রুইলুই পাড়ার শিব মন্দিরের কাছে অবস্থিত এই কটেজকে অনেকেই সালকা ইকো রিসোর্ট নামেও চেনে। এক্সক্লুসিভ আর নরমাল দুই ধরণের মোট ৪টি কক্ষ আছে এই কটেজে। এক্সক্লুসিভ রুমের ভাড়া ৪০০০ টাকা এবং সাধারণ রুমের ভাড়া ২৫০০ টাকা। এক্সক্লুসিভ রুমগুলো মূলত প্রকৃতি উপভোগের উপযোগী করেই নির্মিত। বিদ্যুতের সুবিধার পাশাপাশি থাকছে নিজস্ব রেস্টুরেন্টে খাওয়াদাওয়ার সুব্যবস্থা। যোগাযোগ: ০১৮৪৭৩৫৬৭৮১

সুমুই ইকো কটেজ 

এই রিসোর্টটিও রুইলুই পাড়ায় অবস্থিত এবং মিজোরামমুখী বারান্দা প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগের উপযোগী। মাত্র দুটি কক্ষই আছে এই কটেজে। অবশ্য অতিরিক্ত বেড নেয়ার ব্যবস্থাও আছে।



প্রতিটি রুমের ভাড়া ৪০০০ টাকা করে এবং তা অপরিবর্তিত থাকে বছরজুড়েই।  যোগাযোগ: ০১৮৮০৯০৮৪৪৮

ছায়ানীড় ইকো রিসোর্ট

ত্রিকোণাকৃতির নান্দনিক ডিজাইনে নির্মিত ছায়ানীড় ইকো রিসোর্ট সবারই নজর কাড়ে। স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়াম দুই ধরণের তিনটি কটেজ রয়েছে এখানে। স্ট্যান্ডার্ড রুমের ভাড়া ৩০০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম রুমের ভাড়া ৩৫০০ টাকা। বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলেও থাকছে না খাবারের সুব্যবস্থা। তবে অগ্রীম জানালে ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যোগাযোগ: ০১৮৮১১৬৪৮৬৪

জুমঘর ইকো রিসোর্ট 

এই রিসোর্টে পৃথক কটেজে মোট ৬টি কাপল রুম আছে। প্রতিটিতে ৪জন থাকার সুবিধা। রুম প্রতি ভাড়া ৪০০০ টাকা করে। সারাবছর এই ভাড়া একইরকম থাকে। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ এবং খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এই রিসোর্টে। যোগাযোগ: ০১৮৮৪২০৮০৬০

আলো রিসোর্ট 

রুইলুই পাড়ায় অবস্থিত এই রিসোর্ট। মোট ৬টি রুম আছে এখানে। ডাবল রুম ৪টি এবং ২টি সিঙ্গেল। ডাবল রুমের ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা। আর সিঙ্গেল রুমে সিঙ্গেল বেড ১ হাজার টাকা আর সিঙ্গেল রুমে ডাবল বেড ১৫০০ টাকা পড়বে। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ না থাকলেও থাকছে খাবারের ব্যবস্থা। যোগাযোগ: ০১৮১৭৭০৮০৫৭।

সাম্পারি রিসোর্ট 

এই রিসোর্টে হানিমুন, কাপল, ফ্যামিলি এবং গ্রুপ বিভিন্ন ধরণের কক্ষ রয়েছে। কাপল কটেজের ভাড়া ৩৫০০ টাকা, কাপল রুম ২৫০০ টাকা, ডাবল বেডের রুম ৩৫০০ টাকা এবং ৩ বেডের রুম ৪০০০ টাকা। আর অতিরিক্ত বেড এর জন্য ৫০০ টাকা বাড়তি দিতে হবে। ছুটির দিন বাদে ৫০০ টাকা ডিসকাউন্টও থাকে প্রতিটি কক্ষে। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ এবং পানির সুবিধা। পাশাপাশি শীতকালে বার-বি-কিউ এবং বোনফায়ারেরও সুব্যবস্থা। যোগাযোগ: ০১৮৩৫৫৩ ৮০৮৮



ম্যাডভেঞ্চার রিসোর্ট 

সাজেক ভ্যালির প্রবেশমুখেই এই রিসোর্ট। সর্বমোট ১১টি কক্ষ আছে এই রিসোর্টে। কাপল বা ডাবল বেড রুমের ভাড়া ৩৫০০ টাকা। থাকছে সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ও পানির সুব্যবস্থা। যোগাযোগ: ০১৮৮৫৪২৪২৪২

ট্রিনিটি রিসোর্ট 

৪টি ডাবল বেড এবং ৪টি কাপল বেড নিয়ে সর্বমোট ৮টি কক্ষ আছে এই রিসোর্টে। রুমের ভাড়া ৪৫০০ টাকা। তবে ছুটির দিনে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা যুক্ত হয়। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ থাকলেও সার্বক্ষনিক পানি এবং খাবারদাবারের সুব্যবস্থা থাকছে না। যোগাযোগ: ০১৮৬৯২৩২২২৪

চাঁদের বাড়ি রিসোর্ট 

মেঘের সমুদ্র দেখার আরেকটি আদর্শ জায়গা হলো চাঁদের বাড়ি রিসোর্ট। প্রতি কক্ষই দুজনের উপযোগী হলেও অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা আছে। সর্বমোট ৮টি কটেজ আছে যা ইকোনমি এবং প্রিমিয়ামে বিভক্ত। ছুটির দিন ব্যতীত প্রিমিয়াম এবং ইকোনোমির ভাড়া ৩৫০০ টাকা করে। আর ছুটির দিনে প্রিমিয়াম ৪০০০ টাকা এবং ইকোনোমি ৩০০০ টাকা। পানি আর বিদ্যুতের সুব্যবস্থা তো থাকছেই। যোগাযোগ: ০১৮৬২৬৪৩৮৬০

রুলুই রিসোর্ট 

এই রিসোর্টটির অবস্থান রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউজের পেছনে। রুমের ভাড়া ধরনভেদে ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। যোগাযোগ: ০১৬৩২০৩০০০০

রক প্যারাডাইজ কটেজ 

৪জন, ৬জন কিংবা সর্বোচ্চ ৮জন থাকার উপযোগী কটেজ। রুমের ধরনভেদে ভাড়া ২৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা। যোগাযোগ: ০১৮৪২৩৮০২৩৪



অবকাশ ইকো কটেজ 

তিনতলা বিশিষ্ট এই কটেজের নীচতলার রুম ভাড়া ২৫০০ টাকা। তবে দোতলা আর তিনতলায় ৩০০০ টাকা করে। ডাবল বেডের প্রতি রুমে ৪জন থাকা যাবে। যোগাযোগ: ০১৮৪৪১৭২৪৯২

ঝি ঝি পোকার বাড়ি 

ভাড়া নেয়ার মতো ৪টি রুম রয়েছে এখানে। রুম প্রতি ভাড়া পড়বে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা করে। যোগাযোগ: ০১৮৬৯১৫৭৬৬৬

মেঘালয় রিসোর্ট

৬টি রুম আছে এখানে। ডাবল বেডের রুমে ৪জন করে থাকতে পারবে। ভাড়া পড়বে ২৫০০ টাকা রুম প্রতি। সার্বক্ষনিক পানি, বিদ্যুৎ এবং খাবারের সুব্যবস্থা থাকছে এখানে। যোগাযোগ: ০১৬১১০৮০৯৬২

আদিবাসী ঘর

রিসোর্ট আর কটেজের পাশাপাশি আদিবাসীদের ঘরেও থাকা যেতে পারে। জনপ্রতি খরচ পড়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে।



দীঘিনালা গেস্ট হাউজ 

সাজেকের ধারেকাছের মধ্যে দীঘিনালা গেস্ট হাউজই মোটামুটি মানসম্মত। যোগাযোগ: ০১৮২৭৪৬৮৩৭৭।

এছাড়াও, সারা রিসোর্ট, ইমানুয়েল রিসোর্ট, স্বপ্নচূড়া রিসোর্ট, সারা নীলকুঠির, দার্জেলিং রিসোর্ট, এভারেস্ট রিসোর্ট, রয়েল সাজেক রিসোর্ট, সাজেক হিল ভিউ রিসোর্ট, মৈত্রী রিসোর্ট, মেঘ বিলাশ রিসোর্ট এবং জলবুক কটেজসহ আরো অসংখ্য রিসোর্ট এবং কটেজ রয়েছে। উল্লেখিত সকল রিসোর্টের তালিকা থেকে আপনার চাহিদা মোতাবেক রিসোর্টটির যাবতীয় খোঁজখবর নিয়ে নিন সাজেকে যাবার পূর্বে। ভাড়া ২০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪/৪৫০০ টাকার মধ্যেই।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখিত ভাড়ায় গড়মিল হতে পারে। তাই আগে ফোন দিয়ে যাচাই করে নিবেন সকল তথ্য। আর হ্যাঁ, করোনার সময়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে যাবেন না। সাজেক হোক আর অন্য কোথাও ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না।

ছবিটি তুলেছেনঃ Tasnova Jannat Nipa

বিঃদ্রঃ রিসোর্টের ফোন নাম্বার ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা এবং অনেক ক্ষেত্রে নাম্বারগুলোর সঠিকতা যাচাই করা আমাদের পক্ষে সম্ভবও হয়ে ওঠে না। তাই কেউ যদি কোন ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হোন, তাহলে কমেন্ট করে আমাদেরকে বিষয়টি অবহিত করুন। এতে করে আমরা নাম্বারটি সংশোধন করতে পারব।

ছবিঃ ম্যাডভেঞ্চার রিসোর্ট


শেয়ার করুন সবার সাথে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!